এই শান্ত নদীর উৎস কোথায়? দূরে তাকালেই চোখে পড়ে পাহাড়। একটি-দুটি নয়, চারটি। উঁচু, সবুজে মোড়া। মাথার ওপর সাদা-ধূসর মেঘেরা ওড়াউড়ি করছে। কখনো দলছুট হয়ে একদল গড়াগড়ি খাচ্ছে সেই সবুজের ওপর। বৃষ্টি হচ্ছে। জলে ধুয়েমুছে পাহাড় যেন আরও সজীব-সতেজ হয়ে উঠছে।
দুই পাহাড়ের মাঝখান দিয়ে নেমে এসেছে নদী। নাম যাদুকাটা। নদীর গভীরতা কম। যাদুকাটার স্বচ্ছ জলে নিচের বালুকণা পর্যন্ত দেখা যায়। নৌকা নিয়ে বালু তোলায় ব্যস্ত শ শ মানুষ। ছোট ছোট নৌকা ঢেউ তুলে ছুটছে এদিক-সেদিক। নদীর এক পাশে বিস্তীর্ণ বালুচর, অন্য পাশে সবুজ পাহাড়ের হাতছানি।
একদা এই যাদুকাটা নদীতীরেই ছিল প্রাচীন লাউড় রাজ্যের রাজধানী। এখন রাজ্য নেই, নেই রাজধানীও। তবে যাদুকাটা নদীর উৎসমুখ, নদীর চারপাশের নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অবশ্যই মুগ্ধ হওয়ার মতো। এলাকার নামের সঙ্গে রাজ্যের নামটিও জড়িয়ে আছে, ‘লাউরেরগড়’।
যাদুকাটা নদী দেখতে যাব। সুনামগঞ্জ জেলা শহর থেকে দূরত্ব ২০ কিলোমিটার। বাস-টাসের রাস্তা নেই। যেতে হবে ভাড়া করা বাহনে অথবা নিজের মোটরবাইকে। আগের রাতেই সব ঠিকঠাক হয়েছে। সকাল নয়টায় রওনা হব। চারজন যাব দুই মোটরবাইকে। বাকি তিনজন হলেন সুনামগঞ্জ বন্ধুসভার গিয়াস, ডিউক আর জুয়েল। শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডের মোল্লা রেস্টুরেন্টে নাশতা সেরে আমরা প্রথমে যাই সুরমা নদীর সাহেববাড়ির ঘাটে। সেখান থেকে মোটরবাইক নিয়ে উঠি নৌকায়। আধঘণ্টা পর পৌঁছাই মণিপুরি ঘাটে। নৌকা লাগার আগেই ৩০-৪০ জন লোক এসে যাত্রীদের ঘিরে ধরে। সবাই এই এলাকায় ভাড়ায় মোটরবাইকের চালক। আমরা যেহেতু নিজেদের বাইক নিয়ে এসেছি, তাই ভাড়া নিতে হয়নি। ছুটছি গন্তব্যের দিকে। পথে পলাশ বাজার, ধরপুর বাজার পেছনে ফেলে এসেছি। চিনাকান্দি বাজার পেছনে ফেলে বাইক যখন চলছে, তখন যেন পাহাড় হাতের কাছে। ডান দিকে তাকালেই ওপারে মেঘালয়।
দুপুর প্রায় ১২টা বাজে। বাজারে আরেক দফা হালকা চা-নাশতা হলো। এরপর বিজিবি ক্যাম্পের পাশ দিয়ে আমাদের মোটরবাইক নামল যাদুকাটার বালুচরে। আমরা এখন মেঘ-পাহাড়ের কোলে। পায়ের নিচে যাদুকাটার ঠান্ডা জল আর মাথার ওপরে পাহাড়। সেই পাহাড়ের পিঠ থেকে বের হয়ে বাংলাদেশে এসেছে যাদুকাটা নদী। যেন নদীর উৎসমুখে দুই পাশ থেকে পাহাড় ঝুলে আছে। পেছনে আরও একটি পাহাড় উঁকি দিচ্ছে। ছবির মতো লাগছে সবকিছু। পশ্চিমে এপারের বারেকটিলা। পুবে শাহ আরেফিনের (রহ.) আস্তানা ও লাউড়েরগড় গ্রাম। গ্রামের দক্ষিণ মাথায় নদীতীরে হিন্দুধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান। প্রতিবছর চৈত্র মাসে প্রায় একই সময়ে শাহ আরেফিনের (রহ.) আস্তানায় ওরস ও যাদুকাটা নদীতীরে পুণ্যস্নান হয়। দুই উৎসব ঘিরে তখন নদীতীরে হিন্দু-মুসলমানের মিলনমেলা বসে। হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে।
নগ্ন পায়ে বালুচরে হাঁটছি। কখনো হাঁটুজলে নেমে ছবি তোলা হচ্ছে। পাহাড়ি নদীর জল ঠান্ডা হয়। একটার পর একটা মোটরবাইক এসে থামছে বালুচরে। খেয়া পার হয়ে যাচ্ছে ওপারে ট্যারেকঘাটে। যেখানে রয়েছে বড়ছড়া-চারাগাঁও শুল্ক স্টেশন ও চুনাপাথর খনি প্রকল্প। এ পথে টাঙ্গুয়ার হাওরেও যাওয়া যায়। ছবি তোলার ধুম পড়েছে। ঘণ্টা খানেক এখানে কাটিয়ে আমরা গেলাম শাহ আরেফিনের (রহ.) আস্তানায়। পাশেই সীমান্তের কাঁটাতার। সেখানে নানা বয়সী মানুষের ভিড়। একটি ঘরে শিরনি বিতরণ চলছে। কলাপাতায় খিচুড়ি শিরনি নিয়ে খাচ্ছে শিশুরা।
এবার যাব পশ্চিম পারে বারেক টিলায়। খেয়া নৌকায় মোটরবাইক নিয়ে উঠলাম। ভালোয় ভালোয় নদী পার হয়েছি। কিন্তু নৌকা থেকে মোটরবাইক নামাতে গিয়ে বিপত্তি ঘটল। গিয়াস বাইকসহ পড়ে গেল বালুতে। ভাগ্যিস, অল্পের জন্য নদীতে পড়েনি।
বারেক টিলা গাছগাছালিতে ভরা। টিলার মাঝখান দিয়ে একটি ছোট্ট পাকা সড়ক আছে। উঁচু-নিচু। টিলার ওপর থেকে মেঘালয়কে আরও কাছে মনে হয়। নিচে নদী দেখা যায় বহুদূর পর্যন্ত। চমৎকার লাগে। ঘন জঙ্গলের ফাঁকে ফাঁকে উপজাতিদের কাঁচা ঘরবাড়ি। বনে-জঙ্গলে ঘুরতে মন্দ লাগে না। টিলার ওপরে একটি পাঠশালা আছে। আধা-পাকা টিনশেড ঘরের একটি গির্জাও চোখে পড়ল। ঘণ্টা খানেক টিলার ওপর কাটিয়ে আমরা গেলাম বড়চড়া-চারাগাঁও শুল্ক বন্দর ও ট্যাকেরঘাট চুনাপাথর খনি প্রকল্পে। মোটরবাইকে পনেরো-বিশ মিনিটের পথ। ব্রিটিশ আমলে স্থাপিত এই খনি প্রকল্পটি এখন বন্ধ। একসময় নাকি খুবই জমজমাট ছিল। প্রকল্প এলাকায় একটি চমৎকার হ্রদ আছে। হ্রদের পাড়েই সবুজ ঘাসের কার্পেটে মোড়া একটি ছোট্ট টিলা।
একটি রেস্ট হাউস রয়েছে এখানে। সেটির বারান্দায় দাঁড়ালেই সামনে পাহাড়। বেলা বাড়ছে। শহরে ফিরতে হবে। ফেরার পথে আবার যাদুকাটা। নৌকায় পারাপার। সূর্য পশ্চিম আকাশে হেলে পড়ছে। বারেক টিলার ছায়া পড়েছে যাদুকাটার জলে। সেই ছায়া যেন সারা দিনের বয়ে চলা ক্লান্ত জলে প্রশান্তির পরশ বুলিয়ে দিচ্ছে। কেমন মায়া লাগছে আমাদের। যাদুকাটা নদীর এই মায়ার টানেই হয়তো আবার আসতে হবে এখানে।
যেভাবে যাবেন: সুনামগঞ্জ শহর থেকে নৌকায় মণিপুরিঘাটে। পরে মোটরবাইকে। একবারের ভাড়া ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। সারা দিনের জন্য ভাড়া ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা। খনি প্রকল্পের রেস্ট হাউসে চারজনের থাকার ব্যবস্থা আছে। তাই শহর থেকে যোগাযোগ করে যাওয়া ভালো। ইচ্ছে করলে দিনের আলোতেই আবার জেলা শহরে ফেরা যাবে।
This is a information Based site where you know about Bangladesh. Also get any information that help your future activities.
মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১১
Corporate Party
কোনো বিশেষ আয়োজন বা উৎসব মানেই বিশেষ সাজ-পোশাক। আর এই সাজ যদি হয় শাড়িকেন্দ্রিক, সে ক্ষেত্রে শাড়ির ফ্যাশনে আভিজাত্যের প্রতীক সিল্ক শাড়ি। সিল্ক শাড়ির বিভিন্ন ধরনের একটি হলো তসর সিল্ক। দোয়েল সিল্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জি এম আলমগীর জানালেন, তসরের টেক্সচার বা গঠন মসৃণ নয়। একটু অমসৃণ এই ফেব্রিকে রয়েছে বনেদিয়ানার ছাপ। বাংলাদেশের আবহাওয়া ঠিক তসর উৎপাদনে উপযোগী নয়। অ্যান্ডি সিল্ককে একটু মোটা করে বুনে সেটাকেই তসর হিসেবে বাজারজাত করা হচ্ছে।
এখন বিভিন্ন নকশার ও বুনন বৈচিত্র্যের তসর বাজারে পাওয়া যায়। করপোরেট পার্টি বা জমকালো আয়োজনেও অভিজাত নারীরা সঙ্গী করছেন তসরকে। কখনো তসর বা কখনো তসর ঘরানার শাড়িতে বাড়তি কাজ যোগ করে তা আরও আকর্ষণীয় করে তোলা হচ্ছে। বিভিন্ন ফ্যাশন হাউস এখন একহারা রঙের ও গড়নের এই তসরে একটু একটু করে রং দিতে শুরু করলেও তার ব্যবহার হচ্ছে পরিমিত। তসরের রং মূলত কোড়া, বাদামি, ঘিয়ে হয়ে থাকে। তবে এখন ফ্যাশন হাউসগুলো অন্য কিছু রঙে রাঙাচ্ছে তসর শাড়ি। এতে রং বদলের সঙ্গে সঙ্গে প্রিন্ট করে বাড়তি জৌলুশ আনা হচ্ছে শাড়িতে।
ফ্যাশন হাউস ড্রেসিডেলের প্রধান নির্বাহী মায়া রহমান বলেন, ‘তসরে চকচকে নয়, বরং সব সময়ই একটা ম্যাট ফিনিশড ব্যাপার চোখে পড়ে। তসরের বৈশিষ্ট্য মাথায় রেখেই আমরা এতে ডাই করে রঙের ব্যবহার করেছি। তাই রঙের ক্ষেত্রে উজ্জ্বল ভাবটি রাখা হয়নি। কোথাও কোথাও খানিকটা হাতের কাজের ব্যবহারও করা হয়েছে।’ ড্রেসিডেলের তসর সম্ভারে রয়েছে বেগুনি, ধূসর, সবুজ, কালো প্রভৃতি রঙের ব্যবহার। আর মোটিফ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে জ্যামিতিক নকশা। আঁচলে হাতের কাজ করা হয়েছে।
তসরের ব্যবহার করপোরেট পার্টিতে অনেক বেশি লক্ষণীয়। একটু বয়স্ক নারীরা যারা খুব ঝলমলে শাড়ি পরতে চান না, তাঁরা তসর শাড়ি পরতে পারেন। আর এই শাড়ির সঙ্গে সাজটাও হওয়া চাই মানানসই।
মায়া রহমানের মতে, গলায় পেন্ডেন্ট আর কানে টপ তসরের সঙ্গে বেশ মানানসই। মুক্তা বা পাথরের গয়নাও কিন্তু বেশ মানিয়ে যাবে তসরের সঙ্গে। চুলটাও বাঁধতে হবে বেশ পরিপাটি করে। আর মেকআপে থাকবে না বাহুল্য, বরং হালকা ফেস পাউডারের প্রলেপ আর চোখে কাজল বা আইলাইনারের ছোঁয়াই যথেষ্ট। লিপস্টিক তো নির্ভর করে ব্যক্তিত্ব ও বয়স অনুযায়ী। শাড়ির সঙ্গে ম্যাচ করে কোনো চকচকে নয়, বরং একটু ম্যাট লুকের ক্লাচ ব্যাগ এনে দেবে একবারেই করপোরেট লুক।
এখন বিভিন্ন নকশার ও বুনন বৈচিত্র্যের তসর বাজারে পাওয়া যায়। করপোরেট পার্টি বা জমকালো আয়োজনেও অভিজাত নারীরা সঙ্গী করছেন তসরকে। কখনো তসর বা কখনো তসর ঘরানার শাড়িতে বাড়তি কাজ যোগ করে তা আরও আকর্ষণীয় করে তোলা হচ্ছে। বিভিন্ন ফ্যাশন হাউস এখন একহারা রঙের ও গড়নের এই তসরে একটু একটু করে রং দিতে শুরু করলেও তার ব্যবহার হচ্ছে পরিমিত। তসরের রং মূলত কোড়া, বাদামি, ঘিয়ে হয়ে থাকে। তবে এখন ফ্যাশন হাউসগুলো অন্য কিছু রঙে রাঙাচ্ছে তসর শাড়ি। এতে রং বদলের সঙ্গে সঙ্গে প্রিন্ট করে বাড়তি জৌলুশ আনা হচ্ছে শাড়িতে।
ফ্যাশন হাউস ড্রেসিডেলের প্রধান নির্বাহী মায়া রহমান বলেন, ‘তসরে চকচকে নয়, বরং সব সময়ই একটা ম্যাট ফিনিশড ব্যাপার চোখে পড়ে। তসরের বৈশিষ্ট্য মাথায় রেখেই আমরা এতে ডাই করে রঙের ব্যবহার করেছি। তাই রঙের ক্ষেত্রে উজ্জ্বল ভাবটি রাখা হয়নি। কোথাও কোথাও খানিকটা হাতের কাজের ব্যবহারও করা হয়েছে।’ ড্রেসিডেলের তসর সম্ভারে রয়েছে বেগুনি, ধূসর, সবুজ, কালো প্রভৃতি রঙের ব্যবহার। আর মোটিফ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে জ্যামিতিক নকশা। আঁচলে হাতের কাজ করা হয়েছে।
তসরের ব্যবহার করপোরেট পার্টিতে অনেক বেশি লক্ষণীয়। একটু বয়স্ক নারীরা যারা খুব ঝলমলে শাড়ি পরতে চান না, তাঁরা তসর শাড়ি পরতে পারেন। আর এই শাড়ির সঙ্গে সাজটাও হওয়া চাই মানানসই।
মায়া রহমানের মতে, গলায় পেন্ডেন্ট আর কানে টপ তসরের সঙ্গে বেশ মানানসই। মুক্তা বা পাথরের গয়নাও কিন্তু বেশ মানিয়ে যাবে তসরের সঙ্গে। চুলটাও বাঁধতে হবে বেশ পরিপাটি করে। আর মেকআপে থাকবে না বাহুল্য, বরং হালকা ফেস পাউডারের প্রলেপ আর চোখে কাজল বা আইলাইনারের ছোঁয়াই যথেষ্ট। লিপস্টিক তো নির্ভর করে ব্যক্তিত্ব ও বয়স অনুযায়ী। শাড়ির সঙ্গে ম্যাচ করে কোনো চকচকে নয়, বরং একটু ম্যাট লুকের ক্লাচ ব্যাগ এনে দেবে একবারেই করপোরেট লুক।
Sendle
ফ্যাশনটা এখন অনেক বেশি আরামনির্ভর। পায়ের ফ্যাশন আর আরামের কথা বললেই প্রথমে চলে আসে চটি স্যান্ডেলের কথা। আর এই চটি যেনতেন চটি নয়, কাপড়ের চটি।
ফ্যাশন হাউস প্রবর্তনার পরিচালক শাহিদ হোসেন শামীম বলেন, ‘স্যান্ডেল মানেই চামড়া কিংবা রেকসিন—এমন ধারণাই আমাদের মনে গেঁথে আছে। কাপড়ের স্যান্ডেল তৈরির ভাবনাটা প্রথম মাথায় আসে কাঁথা থেকে। আমাদের নিজেদের সংস্কৃতির অংশ হলো আমাদের দেশের হাতে তৈরি কাঁথা। এর আগে কাঁথার ফোঁড়ের পোশাক, ব্যাগ, কিংবা ছোট ছোট ব্যবহার্য অনেক কিছুই হয়েছে। আর এই ভাবনা থেকেই কাঁথার ফোঁড়ের কাপড় দিয়ে স্যান্ডেল ডিজাইন করি। তবে আভিজাত্যের আদল দিতেই কাঁথার সঙ্গে চামড়া সংযুক্ত করেছি। যাঁরা চান চামড়ার প্রাধান্য বেশি থাকুক, তাঁদের জন্য পায়ের তলার পুরোটা চামড়া এবং ওপরের অংশে আছে কাপড়ের বেল্ট দিয়ে নকশা করা। আবার পুরোদস্তুর কাপড়ের স্যান্ডেলও মিলবে এখানে।
প্রবর্তনা থেকে কাপড়ের চটি কেনা যাবে ২৭৫ থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে।
ফ্যাশন হাউস যাত্রায় কাপড়ের স্যান্ডেল কিছুটা আলাদা। চামড়ার সঙ্গে দেশীয় গামছার সম্মিলনে তৈরি চটি। দুই ফিতার চটি এবং গামছার বেল্ট পায়ে পেঁচিয়ে পরার মতো চটি মিলবে এখানে। তবে পায়ে পেঁচিয়ে পরতে হলে অবশ্য কম ঝুলের স্কার্ট কিংবা ক্যাপ্রি প্যান্টের সঙ্গে পরতে হবে। বললেন ফ্যাশন হাউস যাত্রার গুলশান শাখার প্রধান সুকান্ত দে। এ ছাড়া রিসাইকল থিম অর্থাৎ পুরোনো কাপড় নতুন করে ব্যবহার-উপযোগী করে চটি তৈরি করেছে যাত্রা। আর যাত্রার রিকশা পেইন্টের কাপড়ের চটি তো আছেই। যাত্রা থেকে কাপড়ের চটি কেনা যাবে ৫০০ থেকে ৭৮৫ টাকার মধ্যে।
ব্যাগ ও জুতার দোকান এনা লা মোডের পরিচালক আনিকা ওসমান বলেন, ‘চটি জুতার আছে রকমফের। তবে কাপড়ের ব্যাগ ডিজাইনের সময় মিল রেখে একই ধরনের চটি স্যান্ডেল ডিজাইন করি।’ বাটিক প্রিন্টের কাপড়ের চটি মিলবে এখানে।
ফ্যাশন হাউস বিবি প্রোডাকশনের কাপড়ের চটি কিছুটা ভিন্ন। চামড়ার সঙ্গে অপেক্ষাকৃত পুরু কাপড়ের চটি মিলবে এখানে। পায়ের গোড়ালির ওপর পর্যন্ত কাপড় দিয়ে আটকানো চটি মিলবে এখানে। কেনা যাবে ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে।
ফ্যাশন হাউস প্রবর্তনার পরিচালক শাহিদ হোসেন শামীম বলেন, ‘স্যান্ডেল মানেই চামড়া কিংবা রেকসিন—এমন ধারণাই আমাদের মনে গেঁথে আছে। কাপড়ের স্যান্ডেল তৈরির ভাবনাটা প্রথম মাথায় আসে কাঁথা থেকে। আমাদের নিজেদের সংস্কৃতির অংশ হলো আমাদের দেশের হাতে তৈরি কাঁথা। এর আগে কাঁথার ফোঁড়ের পোশাক, ব্যাগ, কিংবা ছোট ছোট ব্যবহার্য অনেক কিছুই হয়েছে। আর এই ভাবনা থেকেই কাঁথার ফোঁড়ের কাপড় দিয়ে স্যান্ডেল ডিজাইন করি। তবে আভিজাত্যের আদল দিতেই কাঁথার সঙ্গে চামড়া সংযুক্ত করেছি। যাঁরা চান চামড়ার প্রাধান্য বেশি থাকুক, তাঁদের জন্য পায়ের তলার পুরোটা চামড়া এবং ওপরের অংশে আছে কাপড়ের বেল্ট দিয়ে নকশা করা। আবার পুরোদস্তুর কাপড়ের স্যান্ডেলও মিলবে এখানে।
প্রবর্তনা থেকে কাপড়ের চটি কেনা যাবে ২৭৫ থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে।
ফ্যাশন হাউস যাত্রায় কাপড়ের স্যান্ডেল কিছুটা আলাদা। চামড়ার সঙ্গে দেশীয় গামছার সম্মিলনে তৈরি চটি। দুই ফিতার চটি এবং গামছার বেল্ট পায়ে পেঁচিয়ে পরার মতো চটি মিলবে এখানে। তবে পায়ে পেঁচিয়ে পরতে হলে অবশ্য কম ঝুলের স্কার্ট কিংবা ক্যাপ্রি প্যান্টের সঙ্গে পরতে হবে। বললেন ফ্যাশন হাউস যাত্রার গুলশান শাখার প্রধান সুকান্ত দে। এ ছাড়া রিসাইকল থিম অর্থাৎ পুরোনো কাপড় নতুন করে ব্যবহার-উপযোগী করে চটি তৈরি করেছে যাত্রা। আর যাত্রার রিকশা পেইন্টের কাপড়ের চটি তো আছেই। যাত্রা থেকে কাপড়ের চটি কেনা যাবে ৫০০ থেকে ৭৮৫ টাকার মধ্যে।
ব্যাগ ও জুতার দোকান এনা লা মোডের পরিচালক আনিকা ওসমান বলেন, ‘চটি জুতার আছে রকমফের। তবে কাপড়ের ব্যাগ ডিজাইনের সময় মিল রেখে একই ধরনের চটি স্যান্ডেল ডিজাইন করি।’ বাটিক প্রিন্টের কাপড়ের চটি মিলবে এখানে।
ফ্যাশন হাউস বিবি প্রোডাকশনের কাপড়ের চটি কিছুটা ভিন্ন। চামড়ার সঙ্গে অপেক্ষাকৃত পুরু কাপড়ের চটি মিলবে এখানে। পায়ের গোড়ালির ওপর পর্যন্ত কাপড় দিয়ে আটকানো চটি মিলবে এখানে। কেনা যাবে ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে।
Table Lamp
অন্দরসজ্জার অনুষঙ্গ তো অনেক কিছুই হতে পারে। খুব ভারী আসবাব কিংবা উজ্জ্বল আলোর জন্য ঝাড়বাতি, আরও কত্ত কী। তবে অনেকেই পছন্দ করেন একটু পুরোনো আর গ্রামীণ আদলে অন্দর সাজাতে।
আর ঘর সাজানোর একটি অনুষঙ্গ হতে পারে হারিকেন। গ্রামে এখন পর্যন্ত যেখানে বিদ্যু পৌঁছায়নি, সেখানে এখনো হারিকেনের প্রচলন আছে। আর নগরে এসে গ্রামীণ হারিকেন পেয়েছে ভিন্ন আদল।
ইনস্টিটিউট অব ইনোভেটিভ ডিজাইনের স্থপতি ও ডিজাইনার সাইদা ফজিলাতুন নাজ বলেন, ঘরের বিভিন্ন জায়গায় রাখা যেতে পারে হারিকেন। এতে অন্দরসাজে আসে ভিন্ন মাত্রা। চাইলে হারিকেনের মধ্যে রাখা যেতে পারে বৈদ্যুতিক বাল্ব, মোমবাতি কিংবা সলতে।
তবে আলোর জন্য ভেতরে যা-ই থাকুক, আলোটা ঘেরা থাকবে চিমনি দিয়ে। অল্প আলোর জন্য এটা ঘরের দোরগোড়া থেকেই ব্যবহূত হতে পারে। ঘরে ঢোকার দরজার পাশের দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখা যেতে পারে হারিকেন। হতে পারে তা টিনের, পিতলের কিংবা কাঠের তৈরি।
বসার ঘরের সোফার পাশে ছোট টেবিলের ওপর রাখা যেতে পারে একটা হারিকেন। হারিকেনের আলো টেবিল ল্যাম্পের কাজ করবে। এ ছাড়া খাবার আর বসার ঘরের মাঝে শিকল দিয়ে ঝুলিয়ে দিতে পারেন একটা হারিকেন। শিকল ব্যবহার করতে না চাইলে নকশা করা বেণির মতো বোনা কোনো রশি দিয়েও ঝুলিয়ে দেওয়া যায়।
শোবার ঘরে রাখা যায় কাঠের হারিকেন। চিমনিটা কাচের ওপর গ্লাস পেইন্ট দিয়ে আলপনা করা হতে পারে।
বারান্দার সবুজ গাছের মাঝে ছোট ছোট হারিকেনের মৃদু আলো অনেক ভালো লাগে। আবার বড় বাগান কিংবা লনের মাঝে হারিকেন রাখা যেতে পারে। গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে মঞ্চের পাশে হারিকেন ঝুলিয়ে দিলে দেখতে দারুণ লাগে।
অন্দরসজ্জার পণ্যের দোকান আইডিয়া ক্রাফটের ডিজাইনার শ্যামল চন্দ্র সাহা বলেন, পুরোনো হারিকেন আবার নতুনভাবে ফিরে এসেছে ঘর সাজানোর অনুষঙ্গ হিসেবে। আর তাই আইডিয়া ক্রাফটে মিলছে তিন ধরনের হারিকেন। কাঠ, রড আর কাচের ব্যবহারে তৈরি হারিকেন আছে। এ ছাড়া কেবল রট আয়রনের এবং বিভিন্ন ধাতুর তৈরি হারিকেন আছে। কেনা যাবে ৩৫০ থেকে ৩০০০ টাকায়।
ফ্যাশন হাউস আড়ংয়ে আছে ধাতু আর মাটির তৈরি হারিকেন। মাটিরটা কেনা যাবে ৫০ থেকে ২০০ টাকায়। আর ধাতুর ওপর নকশা করা হারিকেনের দাম পড়বে ৩০০০ টাকা। ফ্যাশন হাউস নগরদোলা থেকে হারিকেন কেনা যাবে ৬৫০ টাকায়।
আর ঘর সাজানোর একটি অনুষঙ্গ হতে পারে হারিকেন। গ্রামে এখন পর্যন্ত যেখানে বিদ্যু পৌঁছায়নি, সেখানে এখনো হারিকেনের প্রচলন আছে। আর নগরে এসে গ্রামীণ হারিকেন পেয়েছে ভিন্ন আদল।
ইনস্টিটিউট অব ইনোভেটিভ ডিজাইনের স্থপতি ও ডিজাইনার সাইদা ফজিলাতুন নাজ বলেন, ঘরের বিভিন্ন জায়গায় রাখা যেতে পারে হারিকেন। এতে অন্দরসাজে আসে ভিন্ন মাত্রা। চাইলে হারিকেনের মধ্যে রাখা যেতে পারে বৈদ্যুতিক বাল্ব, মোমবাতি কিংবা সলতে।
তবে আলোর জন্য ভেতরে যা-ই থাকুক, আলোটা ঘেরা থাকবে চিমনি দিয়ে। অল্প আলোর জন্য এটা ঘরের দোরগোড়া থেকেই ব্যবহূত হতে পারে। ঘরে ঢোকার দরজার পাশের দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখা যেতে পারে হারিকেন। হতে পারে তা টিনের, পিতলের কিংবা কাঠের তৈরি।
বসার ঘরের সোফার পাশে ছোট টেবিলের ওপর রাখা যেতে পারে একটা হারিকেন। হারিকেনের আলো টেবিল ল্যাম্পের কাজ করবে। এ ছাড়া খাবার আর বসার ঘরের মাঝে শিকল দিয়ে ঝুলিয়ে দিতে পারেন একটা হারিকেন। শিকল ব্যবহার করতে না চাইলে নকশা করা বেণির মতো বোনা কোনো রশি দিয়েও ঝুলিয়ে দেওয়া যায়।
শোবার ঘরে রাখা যায় কাঠের হারিকেন। চিমনিটা কাচের ওপর গ্লাস পেইন্ট দিয়ে আলপনা করা হতে পারে।
বারান্দার সবুজ গাছের মাঝে ছোট ছোট হারিকেনের মৃদু আলো অনেক ভালো লাগে। আবার বড় বাগান কিংবা লনের মাঝে হারিকেন রাখা যেতে পারে। গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে মঞ্চের পাশে হারিকেন ঝুলিয়ে দিলে দেখতে দারুণ লাগে।
অন্দরসজ্জার পণ্যের দোকান আইডিয়া ক্রাফটের ডিজাইনার শ্যামল চন্দ্র সাহা বলেন, পুরোনো হারিকেন আবার নতুনভাবে ফিরে এসেছে ঘর সাজানোর অনুষঙ্গ হিসেবে। আর তাই আইডিয়া ক্রাফটে মিলছে তিন ধরনের হারিকেন। কাঠ, রড আর কাচের ব্যবহারে তৈরি হারিকেন আছে। এ ছাড়া কেবল রট আয়রনের এবং বিভিন্ন ধাতুর তৈরি হারিকেন আছে। কেনা যাবে ৩৫০ থেকে ৩০০০ টাকায়।
ফ্যাশন হাউস আড়ংয়ে আছে ধাতু আর মাটির তৈরি হারিকেন। মাটিরটা কেনা যাবে ৫০ থেকে ২০০ টাকায়। আর ধাতুর ওপর নকশা করা হারিকেনের দাম পড়বে ৩০০০ টাকা। ফ্যাশন হাউস নগরদোলা থেকে হারিকেন কেনা যাবে ৬৫০ টাকায়।
Objection
স্কুল থেকে আসছে অনবরত অভিযোগ। বাচ্চা মারামারি করে, পাশে বসা সহপাঠীকে বিরক্ত করে। আর ক্লাসে একদম মনোযোগ নেই। সন্তানের এমন অবস্থা শুনে হতাশ হয়ে পড়েন অভিভাবক। সমস্যাটা কোথায় বুঝতে পারেন না। গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোরশেদা বেগম মনে করেন, এসব ক্ষেত্রে শিশুটির মনোজগ বুঝতে হবে এবং সে অনুযায়ী তাকে বোঝাতে হবে। সব শিশু এক রকম হয় না। একেক জনের মনোজগৎ একেক রকম। এটা তাদের অভিভাবক এবং স্কুলের শিক্ষকদের বুঝতে হবে।
সন্তানের বিরুদ্ধে স্কুল থেকে অভিযোগ আসতে থাকলে সন্তানকে সরাসরি জিজ্ঞাসা করুন। কেন সে এ রকম করেছে, জানতে চান। এরপর তাকে ভালোভাবে বোঝাতে হবে। বন্ধুদের সঙ্গে এমন করতে হয় না। এমন করলে কেউ ভালোবাসবে না। গল্পচ্ছলে বলতে হবে কথাগুলো। সন্তানের যেকোনো বিষয়ে অভিভাবকের ভূমিকা সবচেয়ে জরুরি। অনেক সময় সন্তান বাসায় হয়তো কাজের লোককে মারছে কিংবা অন্য কোনো শিশু এলে তাকে মারছে। অভিভাবকেরা এসব তখন বেশি আমলে আনেন না। তাঁরা ভাবেন, ছোট মানুষ এমন তো করতেই পারে। এ ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। আপনার সন্তানকে তক্ষণা তার ভুল ধরিয়ে দিতে হবে। তার আচরণ অন্যকে কষ্ট দিচ্ছে, এ ধরনের মূল্যবোধ তৈরি করতে হবে।
মোরশেদা বেগম বলেন, সন্তানের সামনে মা-বাবার আচরণ অনেক নিয়ন্ত্রিত হতে হবে। তারা মাঝেমধ্যে সন্তানের সামনে অন্যের ওপর রাগারাগি করেন। কেউ কেউ দ্রুত রেগে যান। তাদের খেয়াল রাখতে হবে, এর প্রভাব সরাসরি শিশুটির ওপর পড়ছে। শিশুটি হয়তো ঘরে এর প্রকাশ ঘটাল না। কিন্তু স্কুলে গিয়ে অবশ্যই অন্যদের ওপর তা প্রয়োগ করবে। অভিভাবকের উচিত, এই শিশুদের পর্যাপ্ত সময় দেওয়া। তাকে কাছে নিয়ে বসিয়ে স্কুলের গল্প শোনা। সারা দিন সে কী কী করেছে সেসব জানা। তখন সে হয়তো নিজেই বলবে ওর দুষ্টুমির কথা। বকা না দিয়ে ধীরে ধীরে ওকে বুঝিয়ে বলবেন। এতে সমস্যা অনেকখানি কমে যাবে। শিশুটি যে বিষয়ে আগ্রহী, তাকে সে কাজে উৎসাহী করতে হবে। তাহলে ধীরে ধীরে সে নিজেকে অন্য কাজে ব্যস্ত রাখতে পারবে। দেখা যাবে স্কুলে গিয়েও সে একই কাজ করছে। স্কুলের শিক্ষকেরা শুধু বাসায় অভিযোগ না করে, কেন শিশুটি এমন করছে তা পর্যবেক্ষণ করুন। কোনো শিশু যদি তার মনের কথা খুলে বলতে না চায়, রাগ না করে তাকে ভালোভাবে বোঝাতে হবে। শিশুকে শাস্তি দেওয়া যাবে না। এতে হিতে বিপরীত হবে। শিশুর জেদ বেড়ে যেতে পারে, যার জন্য শাস্তি পেল তার প্রতি প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে উঠতে পারে।
আনন্দ নিকেতন ইউরোপিয়ান স্কুলের প্রাইমারি শাখার অধ্যক্ষ সামসে আরা হাসান বলেন, শিশুকে তার স্বকীয়তা প্রকাশ করতে দিতে হবে। তার মধ্যে নিজের মতো করে, দলের সঙ্গে— এমনকি পুরো ক্লাসের সঙ্গে কাজ করার মনোভাব গড়ে তুলতে হবে। তিন থেকে পাঁচ বছরের শিশুদের কেউ ক্লাসে বই পড়বে, কেউ ছবি আঁকবে, কেউ বা পাজল দিয়ে খেলবে, সে ব্যবস্থা স্কুল কর্তৃপক্ষকে করতে হবে। সুশৃঙ্খলভাবে শিশুকে এসব কাজে ব্যস্ত রাখা যেতে পারে। এ ছাড়া একটু অমনোযোগী শিশুকে শিক্ষকদের আরেকটু বেশি সময় দিতে হবে। তাহলে একসময় এসব সমস্যা সে কাটিয়ে উঠতে পারবে।
সন্তানের বিরুদ্ধে স্কুল থেকে অভিযোগ আসতে থাকলে সন্তানকে সরাসরি জিজ্ঞাসা করুন। কেন সে এ রকম করেছে, জানতে চান। এরপর তাকে ভালোভাবে বোঝাতে হবে। বন্ধুদের সঙ্গে এমন করতে হয় না। এমন করলে কেউ ভালোবাসবে না। গল্পচ্ছলে বলতে হবে কথাগুলো। সন্তানের যেকোনো বিষয়ে অভিভাবকের ভূমিকা সবচেয়ে জরুরি। অনেক সময় সন্তান বাসায় হয়তো কাজের লোককে মারছে কিংবা অন্য কোনো শিশু এলে তাকে মারছে। অভিভাবকেরা এসব তখন বেশি আমলে আনেন না। তাঁরা ভাবেন, ছোট মানুষ এমন তো করতেই পারে। এ ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। আপনার সন্তানকে তক্ষণা তার ভুল ধরিয়ে দিতে হবে। তার আচরণ অন্যকে কষ্ট দিচ্ছে, এ ধরনের মূল্যবোধ তৈরি করতে হবে।
মোরশেদা বেগম বলেন, সন্তানের সামনে মা-বাবার আচরণ অনেক নিয়ন্ত্রিত হতে হবে। তারা মাঝেমধ্যে সন্তানের সামনে অন্যের ওপর রাগারাগি করেন। কেউ কেউ দ্রুত রেগে যান। তাদের খেয়াল রাখতে হবে, এর প্রভাব সরাসরি শিশুটির ওপর পড়ছে। শিশুটি হয়তো ঘরে এর প্রকাশ ঘটাল না। কিন্তু স্কুলে গিয়ে অবশ্যই অন্যদের ওপর তা প্রয়োগ করবে। অভিভাবকের উচিত, এই শিশুদের পর্যাপ্ত সময় দেওয়া। তাকে কাছে নিয়ে বসিয়ে স্কুলের গল্প শোনা। সারা দিন সে কী কী করেছে সেসব জানা। তখন সে হয়তো নিজেই বলবে ওর দুষ্টুমির কথা। বকা না দিয়ে ধীরে ধীরে ওকে বুঝিয়ে বলবেন। এতে সমস্যা অনেকখানি কমে যাবে। শিশুটি যে বিষয়ে আগ্রহী, তাকে সে কাজে উৎসাহী করতে হবে। তাহলে ধীরে ধীরে সে নিজেকে অন্য কাজে ব্যস্ত রাখতে পারবে। দেখা যাবে স্কুলে গিয়েও সে একই কাজ করছে। স্কুলের শিক্ষকেরা শুধু বাসায় অভিযোগ না করে, কেন শিশুটি এমন করছে তা পর্যবেক্ষণ করুন। কোনো শিশু যদি তার মনের কথা খুলে বলতে না চায়, রাগ না করে তাকে ভালোভাবে বোঝাতে হবে। শিশুকে শাস্তি দেওয়া যাবে না। এতে হিতে বিপরীত হবে। শিশুর জেদ বেড়ে যেতে পারে, যার জন্য শাস্তি পেল তার প্রতি প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে উঠতে পারে।
আনন্দ নিকেতন ইউরোপিয়ান স্কুলের প্রাইমারি শাখার অধ্যক্ষ সামসে আরা হাসান বলেন, শিশুকে তার স্বকীয়তা প্রকাশ করতে দিতে হবে। তার মধ্যে নিজের মতো করে, দলের সঙ্গে— এমনকি পুরো ক্লাসের সঙ্গে কাজ করার মনোভাব গড়ে তুলতে হবে। তিন থেকে পাঁচ বছরের শিশুদের কেউ ক্লাসে বই পড়বে, কেউ ছবি আঁকবে, কেউ বা পাজল দিয়ে খেলবে, সে ব্যবস্থা স্কুল কর্তৃপক্ষকে করতে হবে। সুশৃঙ্খলভাবে শিশুকে এসব কাজে ব্যস্ত রাখা যেতে পারে। এ ছাড়া একটু অমনোযোগী শিশুকে শিক্ষকদের আরেকটু বেশি সময় দিতে হবে। তাহলে একসময় এসব সমস্যা সে কাটিয়ে উঠতে পারবে।
Beautification of Lip
ঠোঁটকে আরেকটু আকর্ষণীয় করে তুলতে চান? বুঝতে পারছেন না, কীভাবে সাজাবেন? লিপস্টিক বা লিপগ্লস ব্যবহার করেছেন। দেখা গেল, খানিক পরই তা উধাও। এ ধরনের সমস্যার সমাধান দিয়েছেন কিউবেলার রূপবিশেষজ্ঞ ফারজানা আরমান।
লিপস্টিক বা লিপগ্লস যা-ই ব্যবহার করা হোক না কেন, ঠোঁটকে নরম-মসৃণ করে নিতে হবে। সে জন্য অন্তত আধা ঘণ্টা আগে ঠোঁটে লিপবাম বা ভ্যাসলিন ব্যবহার করা প্রয়োজন। এরপর লিপস্টিকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে লিপ পেনসিল দিয়ে ঠোঁটকে আঁকতে হবে। অনেকে গাঢ় রঙের লিপ পেনসিল ব্যবহার করেন। এটি একটু দৃষ্টিকটু দেখায়। এ ছাড়া লিপ পেনসিল দিয়ে ঠোঁট আঁকার পর হালকা বা ন্যাচারাল রঙের লিপগ্লস ব্যবহার না করাই ভালো।
স্থায়িত্ব
অনেকেই অভিযোগ করেন, লিপস্টিক বা লিপগ্লস বেশিক্ষণ থাকে না। সে ক্ষেত্রে শুরুতে আপনি লিপ পেনসিল দিয়ে ঠোঁট আঁকবেন। এরপর তা পুরো ঠোঁটে একবার ব্যবহার করবেন, বিশেষ করে ঠোঁটের কোনার দিকে। এর ওপরে ব্যবহার করতে হবে আপনার পছন্দের লিপস্টিক। যাঁরা ঠোঁটে একটু শাইনি ভাব আনতে চান, তাঁরা লিপস্টিকের ওপরে লিপগ্লস লাগাবেন। যাঁরা শুধু লিপস্টিক দেন, তাঁরা টিস্যু দিয়ে সামান্য চাপ দিলে বাড়তি লিপস্টিক উঠে আসবে। এরপর একটু পাউডার বা ফাউন্ডেশন দিয়ে আবার একবার লিপস্টিক দিলেও তা স্থায়ী হয়। লিপগ্লস দীর্ঘক্ষণ ঠোঁটে রাখতে হলে আগে একটু আলতো করে বরফ ঘষে নিন। এরপর ব্যবহার করুন প্রিয় কোনো লিপগ্লস। এ ছাড়া লিপব্রাশ দিয়ে সুন্দর করে ঠোঁট সাজাতে পারেন। এতে লিপস্টিক ছড়িয়ে পড়বে না।
কোন ঠোঁটে কোন লিপস্টিক
পাতলা ঠোঁটে গ্লস বা শিমারি লিপস্টিক ব্যবহার করলে ঠোঁট মোটা দেখাবে। আর যাঁদের ঠোঁট পুরু বা ভারী ধরনের, তাঁরা একটু গাঢ় রঙের লিপস্টিক ব্যবহার করলে ঠোঁট পাতলা দেখাবে। এ ধরনের ঠোঁটে ম্যাট লিপস্টিকই মানায় ভালো।
কোন রঙে রাঙাবেন
সময়কে বিবেচনা করে লিপস্টিক ব্যবহার করতে হবে। দিনে হালকা রঙের লিপস্টিক ব্যবহার করবেন। আর রাতে গাঢ় রঙের লিপস্টিক ব্যবহার করতে পারেন। মনে রাখবেন, সব রং সবাই ব্যবহার করতে পারে। নিজের ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মানিয়েছে কি না, তা দেখতে হবে। তবে লাল রঙের লিপস্টিক ব্যবহার করলে মুখের মেকআপ হালকা করতে হবে। আর সব সময় যে পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে লিপস্টিক লাগাতে হবে তা নয়, বরং অনেক সময় বিপরীত কোনো রঙেই ফুটে উঠবে আপনার সৌন্দর্য।
লিপলাইনারের রং যেন লিপস্টিকের চেয়ে গাঢ় না হয়।
লিপস্টিক বা লিপগ্লস যা-ই ব্যবহার করা হোক না কেন, ঠোঁটকে নরম-মসৃণ করে নিতে হবে। সে জন্য অন্তত আধা ঘণ্টা আগে ঠোঁটে লিপবাম বা ভ্যাসলিন ব্যবহার করা প্রয়োজন। এরপর লিপস্টিকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে লিপ পেনসিল দিয়ে ঠোঁটকে আঁকতে হবে। অনেকে গাঢ় রঙের লিপ পেনসিল ব্যবহার করেন। এটি একটু দৃষ্টিকটু দেখায়। এ ছাড়া লিপ পেনসিল দিয়ে ঠোঁট আঁকার পর হালকা বা ন্যাচারাল রঙের লিপগ্লস ব্যবহার না করাই ভালো।
স্থায়িত্ব
অনেকেই অভিযোগ করেন, লিপস্টিক বা লিপগ্লস বেশিক্ষণ থাকে না। সে ক্ষেত্রে শুরুতে আপনি লিপ পেনসিল দিয়ে ঠোঁট আঁকবেন। এরপর তা পুরো ঠোঁটে একবার ব্যবহার করবেন, বিশেষ করে ঠোঁটের কোনার দিকে। এর ওপরে ব্যবহার করতে হবে আপনার পছন্দের লিপস্টিক। যাঁরা ঠোঁটে একটু শাইনি ভাব আনতে চান, তাঁরা লিপস্টিকের ওপরে লিপগ্লস লাগাবেন। যাঁরা শুধু লিপস্টিক দেন, তাঁরা টিস্যু দিয়ে সামান্য চাপ দিলে বাড়তি লিপস্টিক উঠে আসবে। এরপর একটু পাউডার বা ফাউন্ডেশন দিয়ে আবার একবার লিপস্টিক দিলেও তা স্থায়ী হয়। লিপগ্লস দীর্ঘক্ষণ ঠোঁটে রাখতে হলে আগে একটু আলতো করে বরফ ঘষে নিন। এরপর ব্যবহার করুন প্রিয় কোনো লিপগ্লস। এ ছাড়া লিপব্রাশ দিয়ে সুন্দর করে ঠোঁট সাজাতে পারেন। এতে লিপস্টিক ছড়িয়ে পড়বে না।
কোন ঠোঁটে কোন লিপস্টিক
পাতলা ঠোঁটে গ্লস বা শিমারি লিপস্টিক ব্যবহার করলে ঠোঁট মোটা দেখাবে। আর যাঁদের ঠোঁট পুরু বা ভারী ধরনের, তাঁরা একটু গাঢ় রঙের লিপস্টিক ব্যবহার করলে ঠোঁট পাতলা দেখাবে। এ ধরনের ঠোঁটে ম্যাট লিপস্টিকই মানায় ভালো।
কোন রঙে রাঙাবেন
সময়কে বিবেচনা করে লিপস্টিক ব্যবহার করতে হবে। দিনে হালকা রঙের লিপস্টিক ব্যবহার করবেন। আর রাতে গাঢ় রঙের লিপস্টিক ব্যবহার করতে পারেন। মনে রাখবেন, সব রং সবাই ব্যবহার করতে পারে। নিজের ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মানিয়েছে কি না, তা দেখতে হবে। তবে লাল রঙের লিপস্টিক ব্যবহার করলে মুখের মেকআপ হালকা করতে হবে। আর সব সময় যে পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে লিপস্টিক লাগাতে হবে তা নয়, বরং অনেক সময় বিপরীত কোনো রঙেই ফুটে উঠবে আপনার সৌন্দর্য।
লিপলাইনারের রং যেন লিপস্টিকের চেয়ে গাঢ় না হয়।
Capriance World
নতুন খাবারের দোকান
টিভিতে চলছে দারুণ কোনো ক্রিকেট ম্যাচ। কিন্তু বন্ধুদের নিয়ে সেদিনই ভালো কোনো রেস্তোরাঁয় খাবারের পরিকল্পনা। অথবা বাচ্চাদের নিয়ে এমন কোথাও যেতে চাচ্ছেন, যেখানে খাওয়াদাওয়াটা জমবে বেশ, সঙ্গে বাচ্চারাও পাবে আনন্দ। এ রকম চাওয়া-পাওয়ার সমন্বয় করতে যাত্রা শুরু করল নতুন রেস্তোঁরা ক্যাপ্রিকর্ন’স ওয়ার্ল্ড।
১৩ অক্টোবর এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানানো হয়। ২৭ অক্টোবর ঢাকার বসুন্ধরা সিটিতে ক্যাপ্রিকর্ন’স ওয়ার্ল্ডের দরজা খোলা হবে সবার জন্য।
আয়োজকেরা জানান, খাবারের সঙ্গে বিনোদনের সমন্বয় করতেই তাঁদের এই প্রচেষ্টা। এখানে একসঙ্গেই পাবেন অনেক কিছু। পাবেন বিভিন্ন ধরনের ফাস্টফুড, আইসক্রিম, জুস, চায়নিজ খাবার, কাবাব তন্দুরি ইত্যাদি। এক পাশের দেয়ালজুড়ে বড় স্ক্রিনটিতে প্রতিনিয়ত দেখানো হয় ছবির ট্রেইলার, সরাসরি কোন টিভি চ্যানেল অথবা ইউটিউব থেকে ডাউনলোড করা আকর্ষণীয় কোনো ভিডিও। একসঙ্গে ৪০০ জনের খাবারের পাত পড়তে পারে এখানে, তাই কোনো জন্মদিনের পার্টি, বিয়ে অনুষ্ঠান, ফ্যাশন শো, কনসার্টের আয়োজনের জন্য বেছে নিতে পারেন এটি। বাই অর সেল, রেসিং, পপ মোটো, ফান হুপস, স্মার্ট বোলিংজাতীয় খেলার আয়োজন রাখা হয়েছে। ছোট ও বড়দের যে কেউ অংশ নিতে পারেন এসব খেলায়। ছোট্ট শিশুদের আনন্দের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিতে থাকবে মাসকটদের মজার পরিবেশনা।
টিভিতে চলছে দারুণ কোনো ক্রিকেট ম্যাচ। কিন্তু বন্ধুদের নিয়ে সেদিনই ভালো কোনো রেস্তোরাঁয় খাবারের পরিকল্পনা। অথবা বাচ্চাদের নিয়ে এমন কোথাও যেতে চাচ্ছেন, যেখানে খাওয়াদাওয়াটা জমবে বেশ, সঙ্গে বাচ্চারাও পাবে আনন্দ। এ রকম চাওয়া-পাওয়ার সমন্বয় করতে যাত্রা শুরু করল নতুন রেস্তোঁরা ক্যাপ্রিকর্ন’স ওয়ার্ল্ড।
১৩ অক্টোবর এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানানো হয়। ২৭ অক্টোবর ঢাকার বসুন্ধরা সিটিতে ক্যাপ্রিকর্ন’স ওয়ার্ল্ডের দরজা খোলা হবে সবার জন্য।
আয়োজকেরা জানান, খাবারের সঙ্গে বিনোদনের সমন্বয় করতেই তাঁদের এই প্রচেষ্টা। এখানে একসঙ্গেই পাবেন অনেক কিছু। পাবেন বিভিন্ন ধরনের ফাস্টফুড, আইসক্রিম, জুস, চায়নিজ খাবার, কাবাব তন্দুরি ইত্যাদি। এক পাশের দেয়ালজুড়ে বড় স্ক্রিনটিতে প্রতিনিয়ত দেখানো হয় ছবির ট্রেইলার, সরাসরি কোন টিভি চ্যানেল অথবা ইউটিউব থেকে ডাউনলোড করা আকর্ষণীয় কোনো ভিডিও। একসঙ্গে ৪০০ জনের খাবারের পাত পড়তে পারে এখানে, তাই কোনো জন্মদিনের পার্টি, বিয়ে অনুষ্ঠান, ফ্যাশন শো, কনসার্টের আয়োজনের জন্য বেছে নিতে পারেন এটি। বাই অর সেল, রেসিং, পপ মোটো, ফান হুপস, স্মার্ট বোলিংজাতীয় খেলার আয়োজন রাখা হয়েছে। ছোট ও বড়দের যে কেউ অংশ নিতে পারেন এসব খেলায়। ছোট্ট শিশুদের আনন্দের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিতে থাকবে মাসকটদের মজার পরিবেশনা।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)






